,

একজন মাহমুদুর রহমান আওয়ামী আতঙ্ক ও নির্যাতনের আইনি অনুমোদন-অলিউল্লাহ নোমান

Mahmudসুপ্রিমকোর্ট মাহমুদুর রহমানকে শ্যোন এরেষ্ট, বেআইনি গ্রেফতার এবং নির্যাতনের অনুমতি দিয়েছে। তাই সরকার তাঁর বিরুদ্ধে এখন আরো বেপরোয়া। সম্প্রতি এক আদেশে সুপ্রিমকোর্ট সরকারকে এ অনুমতি দেয়ার পরই একটি পুরাতন মামলায় তাঁকে শ্যোন এরেষ্ট দেখানো হয়। যে মামলাটির ঘটনা ঘটেছে মাহমুদুর রহমান কারাগারে যাওয়ার যাওয়ার একমাস পর। এমামলা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন উঠার পর সেদিনই সরকার আরেকটি মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখায়। সাথে সাথে রিমান্ডেরও আবেদন জানায়। অথচ সর্বশেষ গত বুধবার যে মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো হয়েছে সে ঘটনার সময়ও তিনি ছিলেন আমার দেশ কার্যালয়ে বন্দি। এতেই সরকারের উদ্দেশ্য পরিস্কার হয়ে গেছে। আর সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে সুপ্রিমকোর্টের একটি আদেশ।
মামলার পর মামলা। ২০০৯ সালের নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল। মামলার শুরুটা করেছিল বিটিআরসি। বিটিআরসিতে ভারতীয় বিশেষজ্ঞ নিয়োগ নিযে ২০০৯ সালের ২ অক্টোর একটি লিড নিউজ প্রকাশ করেছিল দৈনিক আমার দেশ। শিরোনাম ছিল-‘ভারতীয় কব্জায় বিটিআরসি।’ ৫জন ভারতীয় নাগরিককে বিশেষ পদে নিয়োগ দেয়া নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মামলা করে বিটিআরসি। এ বছরই ডিসেম্বরে প্রকাশ করা হয় প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়-এর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ বিষয়ক সংবাদ। শুরু হয় মামলার দ্বিতীয় পর্ব। মাত্র দুইদিনে সারা দেশের ২৫টি জেলায় মামলা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনায় বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পরিবার ছিল রাজাকার। এবিষয় একটি অনুসন্ধানি প্রতিবেদন প্রকাশের পর আরো ৮টি মামলা হয় ফরিদপুরের আদালতে। রাজশাহীতে মামলা করে তৎকালীন মেয়র। ৫টি মামলা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেলা গোপালগঞ্জে। সারা দেশে ঘুরে বেড়াতে হয়েছে মামলা মোকাবেলা করতে তাঁকে। একে একে ৭০টি মামলা।
২০১০ সালের ৩১ মে ঘটে নাটকীয় ঘটনা। দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বিদায়ী প্রকাশক আলহাজ্ব হাসমত আলীকে উঠিয়ে নিয়ে যায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। তখনই গোজব রটিয়ে যায় মাহমুদুর রহমান গ্রেফতার হচ্ছেন। দৈনিক আমর দেশ বন্ধ করে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দিনভর গোজবের পর রাতে তেঁজগাও থানায় মামলা হয়। এনএসআই-এর একজন পরিচালকের চাপে আলহাজ্ব হাসমত আলী মামলা দায়েরে বাধ্য হন মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ হচ্ছে তিনি প্রকাশকের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। এরপরও তাঁর নাম ব্যবহার করা হচ্ছে প্রকাশক হিসাবে। কিন্তু নিয়ম হচ্ছে প্রকাশক পদত্যাগ করবেন জেলা প্রশাসকের কাছে। জেলা প্রশাসক নিয়ম অনুযায়ী কোম্পানীর সুপারিশ করা ব্যক্তিকে প্রকাশক হিসাবে নিয়োগ দেবেন। জেলা প্রশাসক হাসমত আলীর পদত্যাগ গ্রহন করেছেন ঠিকই। তাঁর জায়গায় নতুন প্রকাশক হিসাবে মাহমুদুর রহমানের নিয়োগ ঝুলিয়ে রাখেন। এনিয়ে জঠিলতা শুরু হয়। এ সুযোগ নেয় সরকার। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এনএসআইকে ব্যবহার করা হয় তখন মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। হাসমত আলীর মামলায় রাতেই অভিযানে নামে পুলিশ। আমার দেশ বন্ধ করে দেয়া হয়। ভোরে গ্রেফতার করা হয় মাহমুদুর রহমানকে। তখন তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় রাষ্ট্রদ্রোহ থেকে শুরু করে গুরুতর অভিযোগে ৪টি মামলা। এসব মামলায় তাঁকে ১৩দিন রিমান্ডে রেখে নির্যাতন চালানো হয় তাঁর উপর। এসব মোকাবেলা করেই তিনি ৯মাস ১৭দিন পর কারাগার থেকে বের হন।
এখানে উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ডিসেম্বরে আলহাজ্ব হাসমত আলী নিজে আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। এর আগে মামলা তদন্তের সময় তিনি পুলিশের কাছেও জানিয়েছিলেন এমামলা দায়েরে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁর কোন অভিযোগ নেই। তারপরও পুলিশ চার্জশীট দিয়েছিল মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। চার্জশীটের পর আদালতে উপস্থিত হয়ে হাসমত আলী মামলাটি পত্যাহারের জোরালো আবেদন রাখেন। এতে মামলা দায়েরে সরকারের চাপের বিষয়টি খোলাসা করেন তিনি।
ইতোমধ্যেই আইনি লড়াই চালিয়ে আমার দেশ প্রকাশ শুরু হয়। দেড় মাস বন্ধ রেখেছিল সরকার তখন আমার দেশ। এর মাঝে ১৫দিন ছিল সরকারি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে। বাকী এক মাস বন্ধ ছিল সুরেন্দ্র কুমার সিনহার এক আদেশের প্রেক্ষিতে। পত্রিকাটি বন্ধ করার ১৫ দিনের মাথায় হাইকোর্ট বিভাগ এক আদেশে সরকারের জারি করা নোটিশ স্থগিত করে দেয়। এতে পত্রিকাটি প্রকাশ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু সরকার আবার আপিল করে। সরকারের আপিলের প্রেক্ষিতে তৎকালিন চেম্বার জজ হিসাবে দায়িত্বে থাকা সুরেন্দ্র কুমার সিনহা হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেয়। এতে আবারো নিভে যায় আশার আলো।
সুরেন্দ্র কুমারের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানানো হয়। তখন শুনানীর তারিখ নির্ধারণ করা হয় একমাস পর। নির্ধারিত তারিখে আপিল বিভাগের ফুলকোর্টে শুনানী শেষে পত্রিকাটি প্রকাশনা অব্যাহত রাখার পক্ষে আদেশ দেয়া হয়। মাহমুদুর রহমান তখন কারাগারে থাকা অবস্থায়ই পত্রিকাটির হাল ধরেন। কারাগার থেকে বের হয়ে তিনি পুরোদমে শুরু করেন আবার। যেখানে অন্যায়, অবিচার সেখানেই আমার দেশ হাজির। তাই তো আতঙ্কে সরকার।
২০১২ সালের ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয় বহুল আলোচিত স্কাইপ স্ক্যান্ডাল। এর সূত্র ধরে সরকার আবারো সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামে আমার দেশ-দমনে। কারন মাহমুদুর রহমান ও আমার দেশ সরকারের থলের বেড়াল বের করে দিচ্ছে। তখনই মাহমুদুর রহমান অবরুদ্ধ হন পত্রিকা অফিসে। টানা প্রায় ৪মাস তিনি অফিসেই অবস্থান করেন। অবশেষে ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল তাঁকে পত্রিকা অফিস থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেদিনই আবারো পত্রিকাটির ছাপাখানা নিয়ন্ত্রনে নেয় পুলিশ। জোর করে বন্ধ রাখা হয় পত্রিকার প্রকাশনা। এখনো পত্রিকাটির ডিক্লারেশন বহাল রয়েছে। কোন কিছুই বাতিল করা হয়নি। শুধু ছাপাখানা পুলিশ দখল করে রেখেছে। যেটাকে বলা যায় সরকারি গুন্ডামির চরম পর্যায়।
এবারো মাহমুদুর রহমানকে নির্যাতন করা হয়েছে রিমান্ডে। তাঁর উপর চালানো হয়েছে নানা কায়দায় শারিরীক নির্যাতন। ইলেকট্রিক শক থেকে শুরু করে নির্যাতনের নানা উপকরন ব্যবহার করা হয়। গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ থেকে শুরু করে ৮টি মামলা দেয়া হয়। সকল মামলা মোকাবেলা করেই তিনি জামিন পেয়েছিলেন। গত জানুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি কারাগার থেকে বের হওয়ার প্রস্তুুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় কারা কতৃপক্ষ জানায় আরেকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রবাসের সামনে ককটেল বিস্ফোরন ঘটেছিল। সেই ককটেল বিস্ফোরণের পুরাতন একটি মামলা তিনি নতুন আসামী। আর বের হতে পারলেন না। কারাগারেই আটক রইলেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, কারা কতৃপক্ষের কাছে টেলিফোন করে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই। বলা হয়, নতুন মামলা দায়ের না হওয়া পর্যন্ত যেন তাঁকে আটক রাখেন কারাগারে। প্রশ্ন হচ্চে, সেনা গোয়েন্দা সংস্থার কাজ কি দেশপ্রেমিকদের কারাগারে আটক রাখার প্রক্রিয়া খোজা!!
নতুন মামলায় আবারো জামিন পেলেন তিনি। এর আগে হাইকোর্টে একটি আবেদন করা হয়েছিল তাঁকে যাতে অন্যায় ভাবে পুনরায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো না হয়। হাইকোর্ট সেই আবেদন গ্রহন করে একটি আদেশ দেয়। আদেশে বলা হয় আইনগত যথাযথ প্রক্রিয়ার অনুসরন ছাড়া তাঁকে পুরাতন মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো যাবে না। তাঁকে হয়রানি না করারও নির্দেশ দেয় সরকারের প্রতি। কিন্তু নতুন মামলায় জামিন আদেশ কারাগারে পৌছার আগেই হাইকোর্টের নির্দেশনা স্থগিত হয়ে যায়। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের আদেশটি স্থগিত করে দেয়। এতে যথাযথই প্রমান হয় বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট নির্যাতনকে পশ্রয় দিচ্ছে। মাহমুদুর রহমানকে আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই পুরাতন মামলায় শ্যোন এরেষ্ট এবং নির্যাতন করার অনুমোদন দেয় আপিল বিভাগ। আইনি অনুমোদনে নির্যাতনের এর চেয়ে বড় প্রমান আর কি লাগে!!!
সুপ্রিমকোর্টের এই অনুমোদনের পর সরকার বেপরোয়া হয়ে উঠে। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে পুরাতন মামলায় আবার শ্যোন এরেষ্ট দেখায়। এবার যে মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো সেই ঘটনা ঘটেছিল গ্রেফতার হওয়ার একমাস পর। তিনি কারাগারে ভেতরে থেকে কিভাবে এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন এ প্রশ্ন উঠে আদালতে। গত বুধবার (৬মার্চ ২০১৬) শুনানী শেষে ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এতে মাহমুদুর রহমান আবারো মুক্তি পাওয়ার পথ পরিস্কার হয়। কিন্তু এক ঘন্টার মধ্যেই আরেকটি পুরাতন মামলায় তাঁকে শ্যোন এরেষ্ট এবং রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত তাঁকে শ্যোন এরেষ্ট দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য করেছে। এবার অভিযোগ হচ্ছে পুরাতন ঢাকায় একটি মসজিদের সামনে সরকার বিরোধী মিছিল থেকে পুলিশের উপর হামলা হয়েছিল। তবে তখনো মাহমুদুর রহমান ছিলেন দৈনিক আমার দেশ কার্যালয়ে বন্দি। পরবর্তি মামলা কি আসবে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে সেটাই এখন অপেক্ষার পালা।
প্রশ্ন হচ্ছে মাহমুদুর রহমানের প্রতি সরকার এতটা ক্ষিপ্ত কেন? কেন মাহমুদুর রহমান সরকারের রোষানলে। নাকি মাহমুদুর রহমানকে সরকার ভয় পাচ্ছে? মাহমুদুর রহমান রাজনীতির উর্ধ্বে একজন ব্যক্তি। তাঁকে সরকার ভয় পাওয়ার কারনই বা কি?
এসব প্রশ্নের উত্তর কিছুটা পাওয়া যায় মাহমুদুর রহমানের কলমে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর সাজানো একটি নির্বাচন হয়েছিল। এই নির্বাচনের আগেই মাহমুদুর রহমান লিখেছিলেন-নবরুপে বাকশাল’ শিরোনামে একটি মন্তব্য প্রতিবেদন। ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগেই তাঁর পর্যালোচনা ছিল কি হতে পারে ভবিষ্যত বাংলাদেশের রাজনীতি। ‘নবরুপে বাকশাল’ শিরোনামে তাঁর লেখাটি থেকেই সব স্পষ্ট। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিকরা সেটা অনুভব করতে অনেক সময় লাগছে।
শুধু রাজনীতি কি হবে সেটাই তিনি পর্যালোচনা করেননি। তিনি বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান আধিপত্য বিস্তারের বিষয়েও সতর্কবানী দিয়ে লিখেছেন অনেক মন্তব্য প্রতিবেদন। তাঁর লেখায় বাংলাদেশের সার্বমৌত্বের উপর শকুনের কালোথাবার চিত্র ফুঠে উটেছে বহুবার। তাই তিনি প্রতিবাদ জানাতে ছুটে গেছেন ফারাক্কার প্রভাবে পদ্মায় জেগে উঠা চরে। আর ছুটে গেছেন বাংলাদেশের ভুমি রক্ষার তাগিদে সিলেটের তামাবিলে। ট্রানজিটের নামে করিডোরের পতিবাদে তিনি ছুটে গেছে আখাউড়া সীমান্তে।
২০০৯ সাল থেকেই বিরোধী দলীয় জোট এক রকম নীরবতা পালন করে আসছিল। সরকার সুকৌশলে বিরোধী দলকে নীরবতা অবলম্বনে বাধ্য করে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই সরকার থেকে বলা হতো যোদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য এসব করা হচ্ছে। কিন্তু যোদ্ধাপরাধের বিচারের নামে প্রহসনের মহা পরিকল্পনা করে সরকার। বিচারের নামে কিভাবে বিরোধী জোটের কতিপয় নেতাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রতিবাদের পথ রুদ্ধ করবে সেই মহা পরিকল্পনা ফাঁস করে দেয় মাহমুদুর রহমান। দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় স্কাইপ স্ক্যান্ডাল প্রকাশের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা পুরো জাতি জানতে পারে। তারপরও বিরোধী জোটের নীরবতা ভাঙ্গেনি। বিরোধী জোট তখনো শুধু একটি নির্বাচনের অপেক্ষায়। এর আগেই সরকার সাজানো নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করে।
সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায় সরকারের বিধান বাতিল করে দেয়। বিরোধী জোট তখনো মনে করেছিল সময়মত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে বাধ্য হবেন শেখ হাসিনা। তাদের নেতাদের মুখে এমনো শোনা গেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে রাজি না হলে বিদেশীরা বাধ্য করবে। যদি তাও না হয় দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে। কিন্তু বিরোধী জোটের নেতাদের এই ধারনা যে অমূলক মাহমুদুর রহমান সেটাই বলেছেন তাঁর লেখনিতে। তাঁর মেধা, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দিয়ে তিনি পর্যালোচনা করতেন বাংলাদেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের গতিপথ। তাঁর এই প্রতিবাদী এবং পর্যালোচনা মূলক লেখা দেখে বিরোধী জোটের অনেকেই বলতেন মাহমুদুর রহমান অনেক বেশি অ্যাডভান্স। এখণই এসব বলা বা লেখার দরকার ছিল না। ৫ বছর পর ক্ষমতার পরিবর্তন হলে বা নির্বাচনের আগেই কেবল এসব লেখলে ভাল হতো। কিন্তু মাহমুদুর রহমান ঠিকই বোঝেছিলেন সরকার পরিবর্তন আর সেই নির্বাচনের সুযোগ বিরোধী জোট সহজে পাবে না। পেতে হলে অন্যায় অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সঠিক সময়ে প্রতিবাদই হচ্ছে উত্তম পন্থা। তাই সরকার তাঁকে এখন সরকারের প্রাইম টার্গেট হচ্ছে মাহমুদুর রহমান।
লেখক: দৈনিক আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত।



এ সংবাদ 1214 জন পাঠক পড়েছেন
Social Media Sharing

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

সর্বশেষ শিরোনাম

সম্পাদকঃ মো.নাঈমুল ইসলাম
Email:naimulislam101@gmail.com
01754859801

Web- www.sylhetsangbad24.com, FB Page:Daily Amadershopno. এশিয়া ইন্টান্যাশনাল মার্কেট, জিন্দবাজার, সিলেট।
শিরোনাম :
জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কামাল ও বালাগঞ্জ যুবদল নেতা রিমনসহ ২১৫ জনের জামিন কোম্পানীগঞ্জে ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান যুবলীগ নেতা জুয়েল দৈনিক সিলেটের দিনকাল’র সম্পাদকম-লীর সভাপতিকে পিজিআইসি’র সংবর্ধনা সিলেটের দিনকাল-এর সম্পাদকম-লীর সভাপতি বেলালকে পরিচালনা পরিষদের সংবর্ধনা সিলেটের দিনকাল-এর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শিক্ষানবিশ প্রতিনিধি আবশ্যক সোনার বাংলা গড়তে নতুন প্রজন্মকে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রস্তুত হতে হবে- যুবলীগ নেতা তারেক সিলেট পৌঁছে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বালাগঞ্জের পথে ড. মোমেনকে স্বাগত জানাতে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি বেড়েছে ছিনতাই, আতঙ্কে নগরবাসী খালেদা জিয়ার বাড়ী উচ্ছেদ মামলার বিচারপতির বাড়ীতে ভুড়ি ভোজ করবেন ঐক্যফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ! সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ ও তিন জেলা প্রতিনিধি আব্যশক যুবদল নেতা আদিল আহমদ রিমনের বাসা-বাড়িতে হামলা ও পুলিশী তল্লাশি: যুবদলের নিন্দা সংরক্ষিত সাংসদ হতে তৎপর সিলেটের এক ডজন নারী নেত্রী গোলাপগঞ্জে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ রবিবার সিলেট আসছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, প্রতিবাদে কলাম লেখকের ক্ষোভ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যাত্রা শুরু করছে ফেঞ্চুগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মামলা পিছো ছাড়ছেনা যুবদল নেতা আদিল আহমদ রিমনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের: নিন্দা প্রধানমন্ত্রীকে এডভোকেট মন্টুর ফুলেল শুভেচ্ছা ঘোষগাঁও টিলাগাঁও মানব কল্যাণ সামাজিক সংস্থার ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বই উৎসব আনন্দের এবং গৌরবের- পৌর মেয়র রাবেল একটা সমস্যা নিয়ে শেখ হাসিনার দ্বারে যান, খালি হাতে ফেরার সুযোগ নেই ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরের নেতৃত্বাধীন সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের ধানের শীষের সমর্থনে নগরীতে বিশাল শোডাউন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারো নৌকাকে বিজয়ী করুন- যুবলীগ নেতা তারেক প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে তানিম গোলাপগঞ্জে নাঈমা পি.এস.সি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেয়েছে গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বরেরে ডা. শেখ আব্দুর রহিম স্মৃতি ট্রাষ্ট মেধা বৃত্তি বিতরণ সম্পন্ন সিলেটের মাঠে ৭০০ সেনা আত্মগোপনে’ থাকা ইমন চাইছে ধানের শীষে ভোট জনগনের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগের প্রয়োজন- শিক্ষামন্ত্রী গোলাপগঞ্জে পৌরসভার উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানে সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর কটুক্তিকারী যুবদল ক্যাডার কালা সুমন ও তার দল গংদের বাচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন বাংলার বারোদ পত্রিকার সম্পাদক বাবর গোলাপগঞ্জে টুডে টাইমস’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন যুবলীগ নেতা তারেকের বিজয় দিবসে শুভেচ্ছা গোলাপগঞ্জে নৌকার সমর্থনে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের মতবিনিময় সভা গোলাপগঞ্জ পৌর প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সিলেট পলিটেকনিক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ গোলাপগঞ্জে স্বরসতী মিনি নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন সিলেট-৬ আসনে নাহিদকে মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী করায় গোলাপগঞ্জে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল সংখ্যাগরিষ্ঠের রায়ে খালেদার মনোনয়নপত্র বাতিল গোলাপগঞ্জে হামলায় আহত ছাত্রলীগের ইব্রাহীমের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা কাউন্সিলর সেলিমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা সিলেট ৫ আসনে কার জন্য অপেক্ষা করছে নৌকা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আহবান সিলেট মহানগর যুবদল নেতা ও প্রজন্ম ৭১’মহানগর সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রানার কারামুক্তি তে সংবর্ধনা। নতুন প্রজন্মের সমর্থন হোক ৭১’র চেতনার পক্ষে, ভোট হোক তাদের নতুন দিনের স্বপ্ন রচনায়- ড. রফিকুল তালুকদার ছাত্রলীগ নেতার জন্মদিন পালন সিলেট-৫ আসনে আওয়ামীলীগ এর মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ফয়সাল আহমদ রাজ নির্বাচিত সরকারের অধীনেই নির্বাচন চাই: জি এম কাদের বাহুবলে চালকসহ নিহত ১ আহত ২