,

একজন মাহমুদুর রহমান আওয়ামী আতঙ্ক ও নির্যাতনের আইনি অনুমোদন-অলিউল্লাহ নোমান

Mahmudসুপ্রিমকোর্ট মাহমুদুর রহমানকে শ্যোন এরেষ্ট, বেআইনি গ্রেফতার এবং নির্যাতনের অনুমতি দিয়েছে। তাই সরকার তাঁর বিরুদ্ধে এখন আরো বেপরোয়া। সম্প্রতি এক আদেশে সুপ্রিমকোর্ট সরকারকে এ অনুমতি দেয়ার পরই একটি পুরাতন মামলায় তাঁকে শ্যোন এরেষ্ট দেখানো হয়। যে মামলাটির ঘটনা ঘটেছে মাহমুদুর রহমান কারাগারে যাওয়ার যাওয়ার একমাস পর। এমামলা নিয়ে আদালতে প্রশ্ন উঠার পর সেদিনই সরকার আরেকটি মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখায়। সাথে সাথে রিমান্ডেরও আবেদন জানায়। অথচ সর্বশেষ গত বুধবার যে মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো হয়েছে সে ঘটনার সময়ও তিনি ছিলেন আমার দেশ কার্যালয়ে বন্দি। এতেই সরকারের উদ্দেশ্য পরিস্কার হয়ে গেছে। আর সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা করেছে সুপ্রিমকোর্টের একটি আদেশ।
মামলার পর মামলা। ২০০৯ সালের নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছিল। মামলার শুরুটা করেছিল বিটিআরসি। বিটিআরসিতে ভারতীয় বিশেষজ্ঞ নিয়োগ নিযে ২০০৯ সালের ২ অক্টোর একটি লিড নিউজ প্রকাশ করেছিল দৈনিক আমার দেশ। শিরোনাম ছিল-‘ভারতীয় কব্জায় বিটিআরসি।’ ৫জন ভারতীয় নাগরিককে বিশেষ পদে নিয়োগ দেয়া নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মামলা করে বিটিআরসি। এ বছরই ডিসেম্বরে প্রকাশ করা হয় প্রধানমন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়-এর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ বিষয়ক সংবাদ। শুরু হয় মামলার দ্বিতীয় পর্ব। মাত্র দুইদিনে সারা দেশের ২৫টি জেলায় মামলা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনায় বেয়াই ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পরিবার ছিল রাজাকার। এবিষয় একটি অনুসন্ধানি প্রতিবেদন প্রকাশের পর আরো ৮টি মামলা হয় ফরিদপুরের আদালতে। রাজশাহীতে মামলা করে তৎকালীন মেয়র। ৫টি মামলা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেলা গোপালগঞ্জে। সারা দেশে ঘুরে বেড়াতে হয়েছে মামলা মোকাবেলা করতে তাঁকে। একে একে ৭০টি মামলা।
২০১০ সালের ৩১ মে ঘটে নাটকীয় ঘটনা। দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বিদায়ী প্রকাশক আলহাজ্ব হাসমত আলীকে উঠিয়ে নিয়ে যায় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। তখনই গোজব রটিয়ে যায় মাহমুদুর রহমান গ্রেফতার হচ্ছেন। দৈনিক আমর দেশ বন্ধ করে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। দিনভর গোজবের পর রাতে তেঁজগাও থানায় মামলা হয়। এনএসআই-এর একজন পরিচালকের চাপে আলহাজ্ব হাসমত আলী মামলা দায়েরে বাধ্য হন মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ হচ্ছে তিনি প্রকাশকের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন। এরপরও তাঁর নাম ব্যবহার করা হচ্ছে প্রকাশক হিসাবে। কিন্তু নিয়ম হচ্ছে প্রকাশক পদত্যাগ করবেন জেলা প্রশাসকের কাছে। জেলা প্রশাসক নিয়ম অনুযায়ী কোম্পানীর সুপারিশ করা ব্যক্তিকে প্রকাশক হিসাবে নিয়োগ দেবেন। জেলা প্রশাসক হাসমত আলীর পদত্যাগ গ্রহন করেছেন ঠিকই। তাঁর জায়গায় নতুন প্রকাশক হিসাবে মাহমুদুর রহমানের নিয়োগ ঝুলিয়ে রাখেন। এনিয়ে জঠিলতা শুরু হয়। এ সুযোগ নেয় সরকার। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এনএসআইকে ব্যবহার করা হয় তখন মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। হাসমত আলীর মামলায় রাতেই অভিযানে নামে পুলিশ। আমার দেশ বন্ধ করে দেয়া হয়। ভোরে গ্রেফতার করা হয় মাহমুদুর রহমানকে। তখন তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় রাষ্ট্রদ্রোহ থেকে শুরু করে গুরুতর অভিযোগে ৪টি মামলা। এসব মামলায় তাঁকে ১৩দিন রিমান্ডে রেখে নির্যাতন চালানো হয় তাঁর উপর। এসব মোকাবেলা করেই তিনি ৯মাস ১৭দিন পর কারাগার থেকে বের হন।
এখানে উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ডিসেম্বরে আলহাজ্ব হাসমত আলী নিজে আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। এর আগে মামলা তদন্তের সময় তিনি পুলিশের কাছেও জানিয়েছিলেন এমামলা দায়েরে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁর কোন অভিযোগ নেই। তারপরও পুলিশ চার্জশীট দিয়েছিল মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। চার্জশীটের পর আদালতে উপস্থিত হয়ে হাসমত আলী মামলাটি পত্যাহারের জোরালো আবেদন রাখেন। এতে মামলা দায়েরে সরকারের চাপের বিষয়টি খোলাসা করেন তিনি।
ইতোমধ্যেই আইনি লড়াই চালিয়ে আমার দেশ প্রকাশ শুরু হয়। দেড় মাস বন্ধ রেখেছিল সরকার তখন আমার দেশ। এর মাঝে ১৫দিন ছিল সরকারি পুলিশের নিয়ন্ত্রনে। বাকী এক মাস বন্ধ ছিল সুরেন্দ্র কুমার সিনহার এক আদেশের প্রেক্ষিতে। পত্রিকাটি বন্ধ করার ১৫ দিনের মাথায় হাইকোর্ট বিভাগ এক আদেশে সরকারের জারি করা নোটিশ স্থগিত করে দেয়। এতে পত্রিকাটি প্রকাশ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু সরকার আবার আপিল করে। সরকারের আপিলের প্রেক্ষিতে তৎকালিন চেম্বার জজ হিসাবে দায়িত্বে থাকা সুরেন্দ্র কুমার সিনহা হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেয়। এতে আবারো নিভে যায় আশার আলো।
সুরেন্দ্র কুমারের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানানো হয়। তখন শুনানীর তারিখ নির্ধারণ করা হয় একমাস পর। নির্ধারিত তারিখে আপিল বিভাগের ফুলকোর্টে শুনানী শেষে পত্রিকাটি প্রকাশনা অব্যাহত রাখার পক্ষে আদেশ দেয়া হয়। মাহমুদুর রহমান তখন কারাগারে থাকা অবস্থায়ই পত্রিকাটির হাল ধরেন। কারাগার থেকে বের হয়ে তিনি পুরোদমে শুরু করেন আবার। যেখানে অন্যায়, অবিচার সেখানেই আমার দেশ হাজির। তাই তো আতঙ্কে সরকার।
২০১২ সালের ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয় বহুল আলোচিত স্কাইপ স্ক্যান্ডাল। এর সূত্র ধরে সরকার আবারো সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামে আমার দেশ-দমনে। কারন মাহমুদুর রহমান ও আমার দেশ সরকারের থলের বেড়াল বের করে দিচ্ছে। তখনই মাহমুদুর রহমান অবরুদ্ধ হন পত্রিকা অফিসে। টানা প্রায় ৪মাস তিনি অফিসেই অবস্থান করেন। অবশেষে ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল তাঁকে পত্রিকা অফিস থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেদিনই আবারো পত্রিকাটির ছাপাখানা নিয়ন্ত্রনে নেয় পুলিশ। জোর করে বন্ধ রাখা হয় পত্রিকার প্রকাশনা। এখনো পত্রিকাটির ডিক্লারেশন বহাল রয়েছে। কোন কিছুই বাতিল করা হয়নি। শুধু ছাপাখানা পুলিশ দখল করে রেখেছে। যেটাকে বলা যায় সরকারি গুন্ডামির চরম পর্যায়।
এবারো মাহমুদুর রহমানকে নির্যাতন করা হয়েছে রিমান্ডে। তাঁর উপর চালানো হয়েছে নানা কায়দায় শারিরীক নির্যাতন। ইলেকট্রিক শক থেকে শুরু করে নির্যাতনের নানা উপকরন ব্যবহার করা হয়। গাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ থেকে শুরু করে ৮টি মামলা দেয়া হয়। সকল মামলা মোকাবেলা করেই তিনি জামিন পেয়েছিলেন। গত জানুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে তিনি কারাগার থেকে বের হওয়ার প্রস্তুুতি নিচ্ছিলেন। এমন সময় কারা কতৃপক্ষ জানায় আরেকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ছাত্রবাসের সামনে ককটেল বিস্ফোরন ঘটেছিল। সেই ককটেল বিস্ফোরণের পুরাতন একটি মামলা তিনি নতুন আসামী। আর বের হতে পারলেন না। কারাগারেই আটক রইলেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, কারা কতৃপক্ষের কাছে টেলিফোন করে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই। বলা হয়, নতুন মামলা দায়ের না হওয়া পর্যন্ত যেন তাঁকে আটক রাখেন কারাগারে। প্রশ্ন হচ্চে, সেনা গোয়েন্দা সংস্থার কাজ কি দেশপ্রেমিকদের কারাগারে আটক রাখার প্রক্রিয়া খোজা!!
নতুন মামলায় আবারো জামিন পেলেন তিনি। এর আগে হাইকোর্টে একটি আবেদন করা হয়েছিল তাঁকে যাতে অন্যায় ভাবে পুনরায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো না হয়। হাইকোর্ট সেই আবেদন গ্রহন করে একটি আদেশ দেয়। আদেশে বলা হয় আইনগত যথাযথ প্রক্রিয়ার অনুসরন ছাড়া তাঁকে পুরাতন মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো যাবে না। তাঁকে হয়রানি না করারও নির্দেশ দেয় সরকারের প্রতি। কিন্তু নতুন মামলায় জামিন আদেশ কারাগারে পৌছার আগেই হাইকোর্টের নির্দেশনা স্থগিত হয়ে যায়। আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের আদেশটি স্থগিত করে দেয়। এতে যথাযথই প্রমান হয় বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট নির্যাতনকে পশ্রয় দিচ্ছে। মাহমুদুর রহমানকে আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই পুরাতন মামলায় শ্যোন এরেষ্ট এবং নির্যাতন করার অনুমোদন দেয় আপিল বিভাগ। আইনি অনুমোদনে নির্যাতনের এর চেয়ে বড় প্রমান আর কি লাগে!!!
সুপ্রিমকোর্টের এই অনুমোদনের পর সরকার বেপরোয়া হয়ে উঠে। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে পুরাতন মামলায় আবার শ্যোন এরেষ্ট দেখায়। এবার যে মামলায় শ্যোন এরেষ্ট দেখানো সেই ঘটনা ঘটেছিল গ্রেফতার হওয়ার একমাস পর। তিনি কারাগারে ভেতরে থেকে কিভাবে এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন এ প্রশ্ন উঠে আদালতে। গত বুধবার (৬মার্চ ২০১৬) শুনানী শেষে ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এতে মাহমুদুর রহমান আবারো মুক্তি পাওয়ার পথ পরিস্কার হয়। কিন্তু এক ঘন্টার মধ্যেই আরেকটি পুরাতন মামলায় তাঁকে শ্যোন এরেষ্ট এবং রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত তাঁকে শ্যোন এরেষ্ট দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য করেছে। এবার অভিযোগ হচ্ছে পুরাতন ঢাকায় একটি মসজিদের সামনে সরকার বিরোধী মিছিল থেকে পুলিশের উপর হামলা হয়েছিল। তবে তখনো মাহমুদুর রহমান ছিলেন দৈনিক আমার দেশ কার্যালয়ে বন্দি। পরবর্তি মামলা কি আসবে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে সেটাই এখন অপেক্ষার পালা।
প্রশ্ন হচ্ছে মাহমুদুর রহমানের প্রতি সরকার এতটা ক্ষিপ্ত কেন? কেন মাহমুদুর রহমান সরকারের রোষানলে। নাকি মাহমুদুর রহমানকে সরকার ভয় পাচ্ছে? মাহমুদুর রহমান রাজনীতির উর্ধ্বে একজন ব্যক্তি। তাঁকে সরকার ভয় পাওয়ার কারনই বা কি?
এসব প্রশ্নের উত্তর কিছুটা পাওয়া যায় মাহমুদুর রহমানের কলমে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর সাজানো একটি নির্বাচন হয়েছিল। এই নির্বাচনের আগেই মাহমুদুর রহমান লিখেছিলেন-নবরুপে বাকশাল’ শিরোনামে একটি মন্তব্য প্রতিবেদন। ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগেই তাঁর পর্যালোচনা ছিল কি হতে পারে ভবিষ্যত বাংলাদেশের রাজনীতি। ‘নবরুপে বাকশাল’ শিরোনামে তাঁর লেখাটি থেকেই সব স্পষ্ট। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিকরা সেটা অনুভব করতে অনেক সময় লাগছে।
শুধু রাজনীতি কি হবে সেটাই তিনি পর্যালোচনা করেননি। তিনি বাংলাদেশে ইন্ডিয়ান আধিপত্য বিস্তারের বিষয়েও সতর্কবানী দিয়ে লিখেছেন অনেক মন্তব্য প্রতিবেদন। তাঁর লেখায় বাংলাদেশের সার্বমৌত্বের উপর শকুনের কালোথাবার চিত্র ফুঠে উটেছে বহুবার। তাই তিনি প্রতিবাদ জানাতে ছুটে গেছেন ফারাক্কার প্রভাবে পদ্মায় জেগে উঠা চরে। আর ছুটে গেছেন বাংলাদেশের ভুমি রক্ষার তাগিদে সিলেটের তামাবিলে। ট্রানজিটের নামে করিডোরের পতিবাদে তিনি ছুটে গেছে আখাউড়া সীমান্তে।
২০০৯ সাল থেকেই বিরোধী দলীয় জোট এক রকম নীরবতা পালন করে আসছিল। সরকার সুকৌশলে বিরোধী দলকে নীরবতা অবলম্বনে বাধ্য করে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই সরকার থেকে বলা হতো যোদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য এসব করা হচ্ছে। কিন্তু যোদ্ধাপরাধের বিচারের নামে প্রহসনের মহা পরিকল্পনা করে সরকার। বিচারের নামে কিভাবে বিরোধী জোটের কতিপয় নেতাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে প্রতিবাদের পথ রুদ্ধ করবে সেই মহা পরিকল্পনা ফাঁস করে দেয় মাহমুদুর রহমান। দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় স্কাইপ স্ক্যান্ডাল প্রকাশের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা পুরো জাতি জানতে পারে। তারপরও বিরোধী জোটের নীরবতা ভাঙ্গেনি। বিরোধী জোট তখনো শুধু একটি নির্বাচনের অপেক্ষায়। এর আগেই সরকার সাজানো নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করে।
সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায় সরকারের বিধান বাতিল করে দেয়। বিরোধী জোট তখনো মনে করেছিল সময়মত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে বাধ্য হবেন শেখ হাসিনা। তাদের নেতাদের মুখে এমনো শোনা গেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে রাজি না হলে বিদেশীরা বাধ্য করবে। যদি তাও না হয় দেশের মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে। কিন্তু বিরোধী জোটের নেতাদের এই ধারনা যে অমূলক মাহমুদুর রহমান সেটাই বলেছেন তাঁর লেখনিতে। তাঁর মেধা, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দিয়ে তিনি পর্যালোচনা করতেন বাংলাদেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের গতিপথ। তাঁর এই প্রতিবাদী এবং পর্যালোচনা মূলক লেখা দেখে বিরোধী জোটের অনেকেই বলতেন মাহমুদুর রহমান অনেক বেশি অ্যাডভান্স। এখণই এসব বলা বা লেখার দরকার ছিল না। ৫ বছর পর ক্ষমতার পরিবর্তন হলে বা নির্বাচনের আগেই কেবল এসব লেখলে ভাল হতো। কিন্তু মাহমুদুর রহমান ঠিকই বোঝেছিলেন সরকার পরিবর্তন আর সেই নির্বাচনের সুযোগ বিরোধী জোট সহজে পাবে না। পেতে হলে অন্যায় অবিচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সঠিক সময়ে প্রতিবাদই হচ্ছে উত্তম পন্থা। তাই সরকার তাঁকে এখন সরকারের প্রাইম টার্গেট হচ্ছে মাহমুদুর রহমান।
লেখক: দৈনিক আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত।



এ সংবাদ 700 জন পাঠক পড়েছেন
Social Media Sharing

Leave a Reply

সর্বশেষ শিরোনাম

—————————————

—————————————-

———————————–
all
————————————–

সম্পাদকঃ মো.নাঈমুল ইসলাম
Email:naimulislam101@gmail.com
01754859801

Web- www.sylhetsangbad24.com, FB Page:Daily Amadershopno. এশিয়া ইন্টান্যাশনাল মার্কেট, জিন্দবাজার, সিলেট।
শিরোনাম :
সিলেট ছাত্রদলের নেতাকর্মীর প্রতি সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নির্দেশনা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সেলিম : নো প্রোভলেম বহিষ্কার বদরুজ্জামান সেলিম নবাগত শিক্ষার্থী স্বাগত জানালো মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ছাত্রদল ছাতকে ফারুক হত্যাকান্ডের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে কালাম-শামীম চক্র অপপ্রচার করছে কাউন্সিলর রণির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মঈনদ্দিন সমর্থকদের হামলা ও ভাংচুর হাইকোর্ট থেকে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের জামিন লাভ ভুল চিকিৎসায় কামাল বাজারের সুমি’র মৃত্যু চমকের ১২ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল ০২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রাসেল মামুনের মনোনয়নপত্র দাখিল ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রাশেদের মনোনয়নপত্র দাখিল কর্মসূচি সফল করায় সিলেট জেলা ও মহনগর ছাত্রদলের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ গাজীপুরে ৮০ বছরের ইতিহাসে এমন ভোট ডাকাতি হয়নি: হাসান সরকার গাজীপুরে নির্বাচনে সবার সুযোগ সৃষ্টিতে গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধের নির্দেশ ইসির সিলেট ছাত্রদলের কমিটিতে কোন্দলের জের কমছেই না ব্যালট ছিনিয়ে নিয়ে সিল: ‘আমি বারবার মানা করার পরও তিনি এ কাজ করছেন’ সাজানো নির্বাচনের জন্য ইসিকে বিএনপির ‘ধন্যবাদ’ বিএনপি নেতা মেজর (অব.) মিজান গ্রেফতার কেয়ারটেকার সরকার প্রধান হওয়ার প্রস্তাব সম্পর্কে মুখ খুললেন ইউনুস ছাত্রদলের মিছিলে পুলিশী হামলার প্রতিবাদে ১৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের বিক্ষোভ ফ্রান্সে বসবাসরত সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দের আলোচনা সভা ছাত্রদলের মিছিলে পুলিশের হামলা ও গ্রেফতার: সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের নিন্দা ও প্রতিবাদ বাংলাদেশ ডেইরী ফার্মাস এসোসিয়েশন সিলেটের মানববন্ধন ফেইসবুকে অপপ্রচার: সাবেক ছাত্রদল নেতা জলিলের বাসায় হামলা ও ভাংচুর সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ২দিনের কর্মসূচি পুলিশী হামলা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের নিন্দা জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের এম এ হক ও ড. এনামুল হক চৌধুরীর নিন্দা মেয়র পদে বদরুজ্জামান সেলিমের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ দক্ষিণ সুরমায় ভালো খেলেও আর্জেন্টিনার কাছে পরাস্ত ব্রাজিল সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ হক মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বদরুজ্জামান সেলিম সিলেট বিমানবন্দরে বদরুজ্জামান সেলিমকে নেতাকর্মীদের সংবর্ধনা তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করে সিলেটে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল মেয়র পদে কামরান, আসাদ, আলোয়ার, জাকির ও আজাদের কেন্দ্রে জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দকে জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট ছাত্রদলের অভিনন্দন মৌলভীবাজারে বন্যায় ৭ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখ নবগঠিত ছাত্রদল কমিটির নেতৃবৃন্দকে মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের অভিনন্দন নবগঠিত ছাত্রদল কমিটির নেতৃবৃন্দকে ১৮ ও ১৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের অভিনন্দন নবগঠিত কমিটি থেকে পদত্যাগের সংবাদ ভিত্তিহীন ও অপপ্রচার নবগঠিত ছাত্রদলের ধাওয়ায় প্রত্যাখ্যানকারীদের পালায়ন (ভিডিও) সিলেট মহানগর ছাত্রদলের কমিটি: সভাপতি সুদীপ সম্পাদক রাব্বি সিলেট জেলা ছাত্রদলের কমিটিঃ সভাপতি সুমন সম্পাদক দিনার ফ্রেন্ডস একতা যুব সমবায় সমিতি লিমিটেডের ইফতার, দোয়া মাহফিল ও সংবর্ধনা আল গণী ফাউন্ডেশন ও জিবি বার্তার ইফতার সিসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হচ্ছেন পিযুষ কান্তি দে জিন্দাবাজার মুক্তিযোদ্ধা গলিতে ভয়াবহ আগুন ‘মানব সেবা ও মানব কল্যাণই ইবাদাতের শামিল’ – সাব্বির আহমদ চৌধুরী জেলা যুবদল নেতা সামছুল ইসলাম টিটু সাথে বালাগঞ্জ উপজেলা যুবদল ছাত্রদলের মতবিনিময় বসতভিটা ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট শিবগঞ্জের শফিক আহমদের আকুতি দক্ষিণ ছাতক উন্নয়ণ পরিষদ সিলেট এর ইফতার মাহফিল